রাকসু নিয়ে সংলাপের নামে কেবলি সময়ক্ষেপণ

80

রাবি প্রতিনিধি : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচন নিয়ে প্রশাসন শুধু সংলাপের নামে সময়ক্ষেপণ করছে বলে অভিযোগ করেছেন রাকসু আন্দোলন মঞ্চের নেতাকর্মীরা। নির্বাচনকে ঘিরে ‘কেমন বিশ্ববিদ্যালয় চাই’ শীর্ষক একটি আলোচনাসভা অনষ্ঠান করার অনুমতি না দেওয়ায় প্রতিবাদ জানিয়ে সোমবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন মঞ্চের কর্মীরা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সমন্বয়ক আন্দোলন মঞ্চের সমন্বয়ক আব্দুল মজিদ অন্তর অভিযোগ করে বলেন, ‘কেমন বিশ্ববিদ্যালয় চাই’ শিরোনামে ‘শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ভাবনা নিয়ে আমরা একটি আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করেছিলাম। গত ৩ মার্চ টিএসসিসি পরিচালকের কাছে মুক্তমঞ্চ বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করা হয়। তিনি বরাদ্দ দিলে ১৮ মার্চ আলোচনা সভার দিন ধার্য করা হয়। কিন্তু প্রস্তুতির শেষ পর্যায়ে টিএসসিসি থেকে অনুমতি প্রশাসন বাতিল করেছে বলে জানানো হয়। কারণ জানতে চেয়ে প্রক্টরের সঙ্গে সাক্ষাত চাইলেও তিনি অস্বীকৃতি জানান। মঞ্চের কার্যক্রম বন্ধ করতে হুমকিও দেয়া হয়। এর আগে গত ৮ মার্চ রাকসু নিয়ে একটি বিতর্ক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও তা প্রশাসনের বাধায় বাতিল করতে বাধ্য হয় আয়োজক সংগঠন। তিনি আরও বলেন, রাকসু নিয়ে শিক্ষার্থীরা যেন জোরালো কোন দাবি বা আন্দোলন গড়ে তুলতে না পারে এর জন্য রাকসু নির্বাচন কেন্দ্রীক সকল কর্মসূচী পালনে বাধা প্রদান করছে প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নির্বাচন না দেওয়ার পায়তারা করছে। সংলাপের নামে মুলা ঝুলিয়ে সময়ক্ষেপণ করছে প্রশাসন। সংবাদ সম্মেলনে রাকসু আন্দোলন মঞ্চের নিবার্হী সমন্বয়ক মো. শরীফ, ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি শাকিলা খাতুন, ছাত্রমৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক রনজু হাসানসহ অন্যান্য নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে মঞ্চের সমন্বয়ক দাবি জানান, দ্রুত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন গণতান্ত্রিক কর্মসূচী পালনে সকল প্রকার বাধা-নিষেধ প্রত্যাহার করে বিশ্ববিদ্যালয়ে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় বৃহত্তর ছাত্র-আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান এসব অভিযোগকে মিথ্যা, মনগড়া দাবি করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন অনুষ্ঠানের অনুমতি যিনি দেন বা না দেন, তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থ বা আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির স্বার্থর কথা চিন্তা করেন। এই ব্যাপারে আমার কাছে কেউ অনুমতি নিতেও আসেনি বা চিঠিও দেয়নি।

SHARE