যবিপ্রবির হল থেকে ৮ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার

118

গণধ্বনি ডেস্ক : যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) চার বিভাগের আটজন শিক্ষার্থীকে ছয় মাসের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মসিয়ূর রহমান হল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

শনিবার শহীদ মসিয়ূর রহমানের হলের প্রভোস্ট বডির সভায় বহিষ্কৃতদের বিরুদ্ধে ওঠা মাদকসেবন ও মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে তাদের বিরুদ্ধে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়।

বহিষ্কৃতরা হলেন- ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের তানভীর মাহমুদ ফয়সাল (রোল-১২১১২১) ও তানীম আহমেদ (রোল-১২১১১৭), একই বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের আক্তারাজ্জামান আপন (রোল-১৫১১২২), ইংরেজি বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের কে এম শাহেদ (রোল-১৬১৬০২), ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রোডাক্শন ইঞ্জিনিয়ারিং (আইপিই) বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের ইখতিয়ার ইমাম আনান (রোল-১৬০৭০১), বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং (বিএমই) বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের দেবায়ন দাস জয় (রোল-১৬১৯৮১৮), অভিক মজুমদার (রোল-১৬১৯০৭) এবং নিলয় চন্দ্র মণ্ডল (রোল-১৬১৯১১)।

এর মধ্যে তিনজন শিক্ষার্থী অনাবাসিক হওয়ায় তাদেরকে এক হাজার টাকা জরিমানাসহ ছয় মাসের মধ্যে হলে প্রবেশ ও রাত্রিযাপন নিষিদ্ধ করা হয়।

প্রভোস্ট বডির সভা থেকে জানা যায়, রুটিন কাজের অংশ হিসেবে গত ১২ ফেব্রুয়ারি শহীদ মসিয়ূর রহমান হলের প্রভোস্ট আমজাদ হোসেনের নেতৃত্বে অন্যানা সহকারী প্রভোস্টরা হল পরিদর্শনে যান।

এ সময় তারা হলের ৪১২ নম্বর কক্ষে চারজন শিক্ষার্থীকে মাদকসেবনরত অবস্থায় দেখতে পান। পরের দিন ১৩ ফেব্রুয়ারি হলের ১১০ নম্বর কক্ষে প্রভোস্ট বডির সদস্যরা গাঁজা সেবনের বিভিন্ন উপকরণ দেখতে পান। এ ছাড়া ওই কক্ষ তারা সারারাত ড্রাম ও উচ্চস্বরে সাউন্ডবক্স বাজিয়ে পড়াশোনার পরিবেশ বিনষ্ট করছে বলেও অভিযোগ পান। গঠিত তদন্ত কমিটিও এসব ঘটনার সত্যতা পায়।

পরে তদন্ত কমিটি প্রভোস্ট বডিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রুলস অব ডিসিপ্লিন ফর স্টুডেন্টস অনুযায়ী, অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের এক বছরের জন্য বহিষ্কারাদেশ দেয়া যেতে পারে বলে সুপারিশ করে।

তবে শিক্ষার্থীদের আগামী দিনের ভবিষ্যৎ বিবেচনা এবং শোধরানোর শেষ সুযোগ দিতে প্রভোস্ট বডি ছয় মাসের জন্য হল থেকে বহিষ্কার এবং তিনজনকে এক হাজার টাকা জরিমানা করার সিদ্ধান্ত নেয়।

SHARE