প্রচারণা শেষ, এখন ভোটের অপেক্ষা

181

স্টাফ রিপোর্টার : ভোট। ভোট। ভোট। ঘরে-বাইরে সর্বত্র ভোটের গরম হাওয়া। সেই হাওয়া বইছে রাজশাহীর নির্বাচনী ময়দান। শুক্রবার সকালে শেষ হচ্ছে নির্বাচনী প্রচার। শেষ মুহূর্তে ব্যস্ত রাজশাহীর রাজপথ থেকে শান্ত গ্রামীণ পথ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মিছিল-¯ে¬াগানে। ১৯ লাখ ৪২ হাজার ৫৬২ জন ভোটারের হৃদয়মন জয় করার মরণপণ চেষ্টা করছেন প্রার্থীরা। কাকডাকা ভোরে দুয়ারে গিয়ে কড়া নাড়ছেন- ভোট চাই। চলছে মাইকিং। সাদা-কালো পোস্টারে সয়লাব চারপাশ। একাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রধান দুই জোট আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট ও বিএনপিকে সঙ্গে নিয়ে গড়া জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট দলের প্রার্থীরা নেতাকর্মী, সমর্থকদের নিয়ে দিনরাত এক করে মানুষের কাছে ছুটছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় উত্তাল হয়ে উঠেছে পদ্মাপাড়ের রাজশাহী। একটি মুহূর্তও যেনো নষ্ট করতে চাচ্ছেন না প্রার্থীরা। পাখি ডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত গড়িয়েছে প্রচারণা। কনকনে শীত উপেক্ষা করেই চলছে গণসংযোগ, মাইকিং ও মিছিল-মিটিং। নির্ঘুম রাত কাটছে প্রার্থী, কর্মী ও সমর্থকদের। তাই বিভিন্ন আশঙ্কার মধ্যেও রাজশাহীতে ভোটের আমেজ যেন চূড়ান্ত রূপ নিয়েছে। বাজছে ভোটের ঢোল। অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের মধ্যেও বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় প্রার্থী ও সমর্থকরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন। প্রতিশ্রুতির খই ফোটাচ্ছেন। তাই নির্বাচনকে ঘিরে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা জমজমাট হয়ে উঠেছে। নির্বাচনী পোস্টার-ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ করলেও প্রচারে পিছিয়ে নেই বিএনপির ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা। নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে লিফলেট বিতরণ, এলাকায় এলাকায় প্রচার মিছিল, সমাবেশে প্রতিশ্রুতি আর উন্নয়নের ফিরিস্তি তুলে ধরা হচ্ছে। মাইকের গান ও নানান ¯ে¬াগানে নির্বাচনীর আমেজ দেখা দিয়েছে রাজশাহীর প্রতিটি এলাকায়। ১৪ দল মনোনীত ও মহাজোট সমর্থিত প্রার্থী ফজলে হোসেন বাদশা গত ১০ বছরের উন্নয়ন তুলে ধরে ভোট চাচ্ছেন। মিজানুর রহমানও তাঁর সময়ের উন্নয়নের ফিরিস্তি দিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি এ আসনটিতে। এছাড়াও সম্প্রতি প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকার প্রার্থী বাদশা ও ধানের শীষের মিনুকে কোলাকুলি ও সৌহার্য বিনিময়ও করতে দেখা গেছে। ফলে বলা যায় শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমূখর পরিবেশে সদর আসনটিতে চলছে ভোট উৎসব। ছয় আসনের মধ্যে ভোটের আমেজটা বেশি রাজশাহী-২ সদর আসনে। আসনটিতে ১৪ দল মনোনীত ও মহাজোট সমর্থিত প্রার্থী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা । আসনটিতে ১৪ দল মনোনীত ও মহাজোট সমর্থিত প্রার্থী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা সকাল থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ভোটারদের কাছে গিয়ে কাকুতি-মিনতি করছেন। শোনাচ্ছেন উন্নয়নের কথা। ফজলে হোসেন বাদশা গণসংযোগে গিয়ে ভোটারদের মনে করিয়ে দিচ্ছেন তার গত দুই মেয়াদের উন্নয়নের কথা। রাজশাহী সদরের টানা দুইবারের এই সংসদ সদস্য বলেন, রাজশাহীতে আমার জন্ম। আমি এখানে বড় হয়েছি, রাজনীতি শিখেছি। রাজশাহীর মানুষ আমাকে কাছে রেখেছেন এবং রাখবেন। তারা বিপুল ভোটে আমাকে আবারও নির্বাচিত করবেন। বিএনবিপ প্রার্থী নির্বাচনে নিশ্চিত পরাজয় জেনে বিএনপি প্রার্থী মিথ্যাচার করছেন উল্লেখ করে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, রাজশাহীতে বিএনপির জয়ের কোনো সম্ভাবনা নেই। নৌকার জনমত দেখে তারা বুঝে গেছে ধানের শীষের ঘাঁটি ভেঙে গেছে। এটা বাস্তবতা। তাই তারা মিথ্যাচার করছে। আমরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই নির্বাচন শেষ করতে চাই। বিএনপি-জামায়াত সহিংসতার চেষ্টা করলে জনগণ তাদের প্রতিহত করবে। এছাড়াও নৌকার প্রচার মিছিলে অংশ্রগ্রহণ করেন রাজশাহী-২ সদর আসনের মহাজোটের প্রার্থী ফজলে হোসেন বাদশার নৌকা প্রতীকের পক্ষে মহানগরীতে ১৪ দল রাজশাহীর সমন্বয়ক, মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র খায়রুজ্জামান লিটনের নেতৃত্বে বিশাল নির্বাচনী প্রচার মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। কেন্দ্রীয় প্রচার মিছিল ছাড়াও প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে নির্বাচনী প্রচার মিছিল করা হয়েছে। জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে নগরীর সাহেব বাজার জিরোপয়েন্ট বড় মসজিদ চত্বর থেকে মহানগরীতে ১৪ দল রাজশাহীর সমন্বয়ক, মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র খায়রুজ্জামান লিটনের নেতৃত্বে নির্বাচনী প্রচার মিছিল শুরু হয়। এতে নৌকার প্রার্থী ফজলে হোসেন বাদশাও উপস্থিত ছিলেন। মিছিলটি মসজিদ চত্বর থেকে শুরু হয়ে নগরীর আরডিএ মার্কেটের সামনে দিয়ে মনিচত্বর হয়ে সোনাদীঘির মোড় ঘুরে মালোপাড়া হয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবী শাহীন আকতার রেনী, প্রার্থী বাদশাপতœী অধ্যাপিকা তসলিমা খাতুন, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল, সহ-সভাপতি মো. আলী কামাল, যুগ্ম সম্পাদক মোস্তাক হোসেন, নাইমুল হুদা রানা, সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র-১ ও ১২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সরিফুল ইসলাম বাবু, ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তৌহিদুল হক সমুন, ২০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রবিউল সরকার, ২২ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ, বোয়ালিয়া থানা আওয়ামী লীগের (পূর্ব) সভাপতি আতিকুর রহমান কালু, সাধারণ সম্পাদক শ্যামল কুমার ঘোষ, মহানগর তাঁতী লীগের সভাপতি আনিসুর রহমান আনার, মহানগর ওয়ার্কাস পার্টির সভাপতি লিয়াকত আলী, সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ প্রামাণিক দেবু, মহানগর জাসদের সভাপতি প্রদীব মৃধা, সাধারণ সম্পাদক শিবলী, বাংলাদেশে জাসদের সভাপতি হিটলার, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক। মিছিলের আগে বড় মসজিদ চত্বরে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, আগামী ৩০ ডিসেম্বর রাজশাহীসহ সারাদেশে নৌকা মার্কায় বিজয় ইনশাল্লাহ হতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে যে লক্ষ্যে নিয়ে যাচ্ছেন, তার আর কিছু কাজ বাকি আছে। অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করার জন্য শেখ হাসিনাকে আরো কিছু সময় দরকার। ইনশাল্লাহ মানুষ তাঁকে সেই সময় দেবেন। উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবারো ক্ষমতায় আসবেন।এ সময় মেয়র লিটন ভোটের দিন সকাল সকাল ভোট কেন্দ্রে যেতে নেতাকর্র্মীদের নির্দেশ দেন। নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, সব জায়গায় নৌকার জোয়ার উঠেছে। জোয়ার দেখে মনে আমরা নিশ্চিত আগামী ৩০ ডিসেম্বর নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত। জাসদ জেলা সভাপতি মজিবুল হক বকুর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন মহানগর জাসদ সভাপতি প্রদীব মৃধা, মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক জেডু সরকার প্রমুখ। সমাবেশের সঞ্চালনায় ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার। সমাবেশ শুরুর আগে ১২ নং ওয়ার্ড, ১৯ নং ওয়ার্ড, তৌহিদুল হক সুমন ও মহানগর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ বাবু মিছিল নিয়ে এসে সমাবেশ যোগ দেন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

এদিকে প্রচারণায় নেমে রাজশাহী সদর আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে বলছেন, তিনি বলছেন, রাজশাহীতে যত উন্নয়ন হয়েছে, বিএনপির আমলে হয়েছে। তিনি মেয়র ও সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্বে থাকার সময়ই বিশ্বের দরবারে রাজশাহী শান্তির শহর হিসেবে পরিচিতি পায়। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা থেকে সাড়ে দুপুর ১টা পর্যন্ত রাজশাহীর সাহেব বাজার কাপড়পট্টি ও সোনাপট্টিসহ অন্যান্য মার্কেটে গণসংযোগ করেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার অন্যতম উপদেষ্টা, সাবেক মেয়র ও সংসদ সদস্য এবং রাজশাহী সদর আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু। তিনি এই সকল মার্কেটের প্রতিটি দোকানে যান এবং সবার সাথে কুশল ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও দেশের গণতন্ত্র রক্ষায় এবং রাজশাহী মহানগরীর উন্নয়নে ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন। এসময়ে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় মিনু বলেন, ১৭ বছর ধরে তিনি এই মহানগরের উন্নয়ন ও জনগণের সেবা করে গেছেন। তাঁর সময় মহানগরীর অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। তিনি জনগণকে সাথে নিয়ে এই উন্নয়ন করেন। এমন কোন অবকাঠামো নাই তিনি করেননি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, প্রসস্ত রাস্তা, ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান, বাজার প্রতিষ্ঠা, চিত্তবিনোদনের জন্য পার্ক স্থাপন, অন্ধকার শহরকে লাইটিং এর মাধ্যমে আলোকিত করণ, জানযোট নিরসনের সিটি বাইপাস রাস্তা, কৃষি ব্যাংক ভবন নির্মানসহ বহুবিধ উন্নয়ন তিনি করেন। তিনি আরো বলেন, রাজশাহীর জনগণ দলবল নির্বিশেষে তাঁকে ভালবাসে, সম্মান করে ও শ্নেহ করে। সেই ভালবাসা উন্নয়ন ও জনগণের সেবার কথা চিন্তা করে তাঁকে পুণরায় ভোট দিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচন করবেন বলে তিনি আশা করেন। ব্যবসায়ীরা তাঁকে সাদরে গ্রহন করেন এবং ব্যবসায়ী নেতা ও সাধারণ ব্যবসায়ীরা এই সরকারের কবল থেকে দেশকে রক্ষা, গণতন্ত্র পূনরুদ্ধার ও বেগম জিয়ার মুক্তির জন্য ধানের শীষে ভোট দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি ও ধানের শীষের প্রধান নির্বাচনী এজন্টে বএনপি নেতা ওয়ালিউল হক রানা, ১২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর দিলদার হোসেনসহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগটনের নেতাকর্মী, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ । গতকাল বৃহস্পতিবার গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনের এক নির্দেশনার আলোকে প্রচারণা সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করে সব রিটার্নিং কর্মকর্তাকে বিষয়টি বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব স্বাক্ষরিত পরিপত্রে বলা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ‘১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৭৮ অনুসারে ভোটগ্রহণ শুরুর পূর্ববর্তী ৪৮ ঘণ্টা ও ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে অর্থাৎ, ২৮ ডিসেম্বর সকাল ৮টা থেকে ১ জানুয়ারি বিকেল ৪টা পর্যন্ত সব নির্বাচনী এলাকায় যে কোনো ধরনের সভা, সমাবেশ ও মিছিল, শোভাযাত্রা করা যাবে না।’ অর্থাৎ, সংসদ নির্বাচনের সব প্রচার কাজ বন্ধ করতে হবে ২৮ ডিসেম্বর সকাল ৮টার আগেই। আর ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারি বিকেল ৪টা পর্যন্ত কোনো প্রচারণা চালানো যাবে না। এছাড়া যান চলাচলের নিষেধাজ্ঞায় বলা হয়েছে, ভোটগ্রহণের আগের দিন রাত ১২টা থেকে ভোটগ্রহণের দিন মধ্যরাত পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় ট্যাক্সি ক্যাব, বেবিট্যাক্সি/অটোরিকশা, মাইক্রোবাস, জিপ, পিকআপ, কার, বাস, ট্রাক, টেম্পো, লঞ্চ, ইজিবাইক, ইঞ্জিনবোট ও স্পিডবোটগুলোর চলাচলের উপর ওই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে। তবে সারাদেশে ২৯ ডিসেম্বর মধ্যরাত থেকে ২ জানুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত ক্ষেত্র বিশেষ আরো অধিককাল মোটরসাইকেল বা অনুরূপ যান চলাচল নিষেধ থাকবে। জাতীয় মহাসড়ক এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট যানবাহন বা নৌযান ও জরুরি সেবা প্রদানকারী বা অনুরূপ যান চলাচলের ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা শিথিলযোগ্য হবে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুসারে ইতোমধ্যে সড়ক পরিবহন বিভাগ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়কেও এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করেছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ রোববার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলবে। রাজশাহীর ছয়টি আসনে এবার মোট ২৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ছয়টি আসনে এবার মোট ভোটার সংখ্যা ১৯ লাখ ৪২ হাজার ৫৬২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছে ৯ লাখ ৬৭ হাজার ৭১০ জন এবং নারী ৯ লাখ ৭৪ হাজার ৮৫২ জন। এর আগে গত নির্বাচনে রাজশাহীতে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ১৭ লাখ ৪২ হাজার ৬৫৭ জন। এবার নতুন ভোটার হয়েছে ১ লাখ ১৯ হাজার ৯০৫ জন। এজন্য নারী ভোটারদেরই এবার জয়ের নিয়ামক শক্তি বলা হচ্ছে।

SHARE