রাজশাহীর ৬৯৫ ভোটকেন্দ্রের ৩৮৯টি ঝুঁকিপূর্ণ

144

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী জেলার ৬টি নির্বাচনী এলাকার ৬৯৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৩৮৯টিই গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) বলে জানিয়েছে পুলিশ। এর মধ্যে রাজশাহী মহানগরীর পুলিশের (আরএমপি) অধীনে থাকা ১৯৬টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৮৬টি এবং জেলায় ৪৯৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২০৩টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ করা হয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) মুখপাত্র  ইফতে খায়ের আলম বলেন, আরএমপি আওতাধীন এলাকায় নির্বাচন কেন্দ্র ১৯৬টি। এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ বা গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রই ১৮৬টি। এগুলোতে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আরএমপি কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যমতে, ভোটের আগের দিন থেকে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন একজন উপ-পরিদর্শক (এসআই) বা একজন সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই), পুলিশ ও আনসার সদস্যসহ মোট ১৭ জন নিরাপত্তা কর্মী।

এর মধ্যে একজন এসআই বা এএসআই, চার জন কনস্টেবল এবং ১২ জন আনসার সদস্য। আর সাধারণ কেন্দ্রগুলোর জন্য একজন পুলিশ সদস্য কমিয়ে দায়িত্বে থাকবেন ১৬ জন নিরাপত্তা কর্মী। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এবারই প্রথম আনসার বাহিনীর হাতে আগ্নেয়াস্ত্র দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে, নির্বাচন কেন্দ্রের পাশাপাশি পুরো আরএমপি এলাকার নিরাপত্তার জন্য টহলে নিয়োজিত থাকবে ৫১টি মোবাইল টিম। এর বাইরে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও সেনাবাহিনীর সদস্যরাও নিয়োজিত থাকবে আরএমপি এলাকার নিরাপত্তার দায়িত্বে।

রাজশাহী জেলা পুলিশের মুখপাত্র সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সদর) আব্দুর রাজ্জাক জানান, জেলায় ৪৯৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২০৩টি কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোতে একজন এসআই ও একজন পুলিশ সদস্য নিয়োগ দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে, সাধারণ ভোটকেন্দ্রগুলোতে এসআই দায়িত্বে না-ও থাকতে পারেন। সেগুলোতে দুইজন করে পুলিশ সদস্য দায়িত্বে রাখা হবে।

এছাড়াও নিরাপত্তা টহলে নিয়োজিত থাকবে মোবাইল টিম। এছাড়া র‌্যাব, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর সদস্যরাও নিয়োজিত থাকবেন।

SHARE