জঙ্গিবাদের মদদদাতাদের জন্য সেনাবাহিনী আতঙ্ক: বাদশা

162

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী-২ (সদর) আসনে ১৪ দল মনোনীত এবং মহাজোট সমর্থিত প্রার্থী ফজলে হোসেন বাদশা বলেছেন, নির্বাচনে জঙ্গিবাদের মদদদাতা যে সমস্ত প্রার্থী আছেন, তাদের জন্য সেনাবাহিনী আতঙ্কের কারণ। সোমবার সকালে মহানগরীর সাহেববাজার বড় মসজিদের সামনে থেকে গণসংযোগের শুরুতে নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন প্রসঙ্গে নৌকা প্রতীকের এই প্রার্থী এ কথা বলেন।
এ সময় তার সঙ্গে নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকারসহ ১৪ দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, আজকে সদর আসনে যিনি আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী তিনি জঙ্গিবাদের মদদদাতা। মেয়র থাকাকালে তিনি সিটি করপোরেশনের টাকা জঙ্গিদের হাতে তুলে দিয়েছিলেন। এখন আবার ধানের শীষের ছাতার তলে জঙ্গিরা আশ্রয় নিয়েছে। শহরে তারা মুখোশ পরে মিছিল করছে। এটা শুভ লক্ষণ নয়। সেনাবাহিনী এসব জঙ্গিদের প্রতিহত করবে।
রাজশাহী সদরের টানা দুই মেয়াদের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, ইতিমধ্যে মহানগর বিএনপির সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের কথোপকথনের একটি অডিও রেকর্ড ফাঁস হয়েছে। সেখানে শোনা যাচ্ছে, ২৮ তারিখ থেকে নাশকতা চালাতে তিনি দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দিচ্ছেন। তার বিরুদ্ধে ১৭টি মামলা। এদের জন্যই তো সেনাবাহিনী। তাদের নাশকতার পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দিতে সেনাবাহিনীসহ সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সজাগ থাকবে।
বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা এ দিন ১২, ২০ ২২ নম্বর ওয়ার্ডে গণসংযোগ করেন। সকালে ১২ নম্বর ওয়ার্ডের সাহেববাজার বড় মসজিদের সামনে থেকে তিনি গণসংযোগ শুরু করেন। দুপুর পর্যন্ত তিনি বড়কুঠি, ফুদকিপাড়া, টিকাপাড়া, আলুপট্টি, ঘোড়ামারা, রাণীবাজার, বেলদারপাড়া ও অলোকার মোড় এলাকায় গণসংযোগ করেন। এ সময় তিনি সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের হাতে নৌকা প্রতীকের লিফলেট তুলে দেন। দেশকে জঙ্গিবাদের হাত থেকে রক্ষা করে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় থাকতে তিনি সবার কাছে নৌকা প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।
এ সময় তার সঙ্গে রাজশাহী মহানগর ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি লিয়াকত আলী লিকু, সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ প্রামানিক দেবু, নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা নওশের আলী, ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সরিফুল ইসলাম বাবু, ২০ নম্বরের কাউন্সিলর রবিউল ইসলাম, নগর জাসদের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক, আব্দুল্লাহ আল মাসুদ শিবলী, নগর আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মীর তৌফিক আলী ভাদু, নগর বঙ্গবন্ধু পরিষদের নেতা মো. লিয়াকত আলী উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও নগর ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা সিরাজুর রহমান খান, মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ, নগর তাঁতী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোকসেদুল আলম, জেলা আওয়ামী লীগের পরিবেশ বিষয়ক সম্পদক অ্যাডভোকেট শাহীন, বোয়ালিয়া থানা (পূর্ব) আওয়ামী লীগের সভাপতি আতিকুর রহমান কালু, সাধারণ সম্পাদক শ্যামল কুমার ঘোষ, ১২ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি হাসান আলী, ২২ নম্বর ওয়ার্ড ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি হাসমত আলীসহ ১৪ দলের নেতাকর্মীরা প্রচারণায় অংশ নেন।

SHARE