রাজশাহীতে এবার প্রচারের প্রস্তুতি

159

স্টাফ রিপোর্টার : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণা শুরু হচ্ছে। প্রার্থীতা বাতিল, মনোনয়ন দাখিল প্রত্যাহার শেষে চূড়ান্ত মনোনয়ন দাখিল হয়েছে রোববার। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ি আজ (সোমবার) থেকে প্রার্থীরা তাদের প্রচারণ শুরু করতে পারবেন।

ইতোমধ্যে নিজ এলাকায় প্রচারণার সব ধরনের প্রস্তুতি প্রার্থীরা নিয়েছে। রাজশাহীর ৬টি সংসদীয় আসনে রোববার আট জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। একই সঙ্গে বিএনপির প্রার্থীরা তাদের দলীয় চূড়ান্ত মনোনয়নের চিঠি জমা দেন। ফলে রাজশাহীর ছয়টি আসনে এখন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২৫ জন প্রার্থী। এসব প্রার্থীদের মধ্যে ৬টি আসনে ৬ জন করে প্রার্থী নৌকা ও ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনের মাঠে নামবে। অন্য প্রার্থীরা তাদের নিজ নিজ দলের প্রতীক নিয়ে নির্বাচনের প্রচারনায় নামবেন।

অনেক প্রার্থী তাদের নিজ নিজ এলাকায় পোস্টার পাঠিয়ে দিয়েছে। সোমবার সকাল থেকে শুরু হবে প্রচারণা মহাযজ্ঞ। নগর থেকে শুরু করে গ্রামের হাট-বাজারগুলোতে প্রার্থীদের পোস্টারে ছেয়ে যাবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মাইকিং করে প্রচার করা হবে। ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারবে।

তবে প্রচারণা চালানোর ক্ষেত্রে আচরণ বিধিমালা মেনে চলতে প্রার্থীদের আগে থেকেই সতর্ক করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। কেউ আচরণবিধি লংঘন করলে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

প্রচারণায় প্রার্থীরা আচরণবিধি লংঘন করছেন কিনা- তা দেখতে তিন বিভিন্ন টিম মাঠে কাজ করবে। এছাড়া রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে পরিদর্শন করবেন।

প্রচারণার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মাইক ব্যবহার করতে পারবে। নির্বাচনী প্রচারণার জন্য কোন প্রার্থী গেইট বা তোরণ নির্মাণ করতে পারবে না। কিংবা চলাচলের পথে কোন প্রকার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারবে না। নির্বাচন প্রচারণার অংশ হিসেবে বিদ্যুতের সাহায্যে আলোকসজ্জ্বা করতে পারবে না। নির্বাচনী প্রচারণার ক্ষেত্রে প্রার্থীর ছবি বা প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণামুলক কোন বক্তব্য বা কোন শার্ট, জ্যাকেট, ফতুয়া ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারবে না। মসজিদ, মন্দির, গির্জা বা অন্য কোন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কোন প্রকার প্রচারণা চালানো যাবে না, উস্কানিমূলক বক্তব্য আ বিবৃতি প্রদার করা যাবে না।

প্রতিটি ইউনিয়নে সর্বোচ্চ একটি এবং পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন এলাকার প্রতিটি ওয়ার্ডে একটির অধিক নির্বাচনী ক্যাম্প স্থাপন করতে পারবেন না। প্রতীক প্রচারণায় কোন জীবন্ত প্রাণি ব্যবহার করা যাবে না।

এদিকে রোববার চূড়ান্ত মনোনয়ন জমা দেয়ার পরপরেই প্রার্থীদের কর্মী সমর্থকরা প্রচারণার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। আগে থেকে ছাপিয়ে রাখা পোস্টার নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় নেতাকর্মীদের হাতে পৌঁছে যেতে শুরু করেছে। পৌছে গেছে মাইকও। আজ থেকে বিভিন্ন নির্বাচনী স্লোগানে মেতে উঠবে দেশ।

SHARE