রাজশাহী অঞ্চলে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিল

188

স্টাফ রিপোর্টার : এ বছর ৮ নভেম্বর একাদশ সংসদ নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। তফশিলে আগামী ২৩ ডিসেম্বর একাদশ সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে বলে ঘোষণা দেয়া হয়। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ১৯ নভেম্বর সোমবার, মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের তারিখ ২২ নভেম্বর বৃহস্পতিবার, প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৯ নভেম্বর বৃহস্পতিবার এবং ভোট গ্রহণের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর রোববার নির্ধারণ করে তফশিল ঘোষনা করে নির্বাচন কমিশন। পরে বিরোধী জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও অন্যান্য দলের দাবির মুখে নির্বাচন কমিশন ভোট গ্রহণের তারিখ পিছিয়ে ৩০ ডিসেম্বর করে তফসিল ঘোষণা করে।
এছাড়া মনোনয়ন দাখিলের শেষ সময় ২৮ নভেম্বর, মনোনয়ন বাছাই ২ ডিসেম্বর এবং প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ৯ ডিসেম্বর নির্ধারণ করে। গতকাল বুধবার মনোনয়ন জমার শেষ দিনে রাজশাহী, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁর জেলা ও উপজেলাগুলোতে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন প্রত্যাশিরা সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কার্যালয়ে রির্টানিং ও সহকারি রির্টানিং অফিসারের কাছে তাদের মনোননয়পত্র দাখিল করেন। আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো খরব:
গতকাল সকাল থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত পুঠিয়া ও দুর্গাপুর রিটানিং কর্মকর্তার কাছে বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন। এ আসনে রিটানিং কর্মকতার কার্যালয়ে ৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল হয় । এর আগে আসনটি ১১টি মনোনয়পত্র সংগ্রহ করেছিলেন বিভিন্ন দলের নেতারা। ব্যাপক উৎসব মুখর পরিবেশের মধ্যদিয়ে প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী রাজশাহী জেলা আওয়ামীলীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. মনসুর রহমান, বিএনপির প্রার্থী জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাড.নাদিম মোস্তফা, জেলা বিএনপির সহসভাপতি অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল, আবু বক্কর সিদ্দিক, জাতীয় পার্টির প্রার্থী জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি অধ্যাপক আবুল হোসেন, ইসলামি শাসনতন্ত্রের প্রার্থী মাওলানা রুহুল আমিন, জাকের পার্টির প্রার্থী কেন্দ্রীয় জাকের পার্টির মৎস্যজীবি ফ্রন্টের যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম। পুঠিয়া সহকারি রিটানিং কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জানান, সকাল থেকে বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।
তানোরে একাদশ সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১ তানোর-গোদাগাড়ী আসনে মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিনে ৩ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
অপরদিকে, গতকাল বিকেল ৪টার দিকে তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটানিং অফিসার চৌধুরী গোলাম রাব্বীর হাতে মনোনয়নপত্র জমা দেন ওমর ফারুক চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও প্রবীণ নেতা অধ্যাপক লুৎফর রহমান, তানোর থানা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি খাদেমুল নবী বাবু চৌধুরী, মু-ুমালা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মোস্তুফা, তানোর থানা যুবলীগের সভাপতি ও কলমা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশীদ ময়নাসহ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মনোনয়ন পত্র জমা দেন ব্যারিস্টার আমিনুল হক ও তার স্ত্রী আভা হক। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোজ্জাম্মেল হক খাঁন, তানোর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও তানোর পৌর মেয়র মিজানুর রহমান মিজান, থানা বিএনপির’র সাংগঠনিক সম্পাদক হযরত আলী, পাঁচন্দর ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান মোমিমুল হক মমিন, সাধারণ সম্পাদক মফিজ উদ্দিন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আবদুল মালেক, আবদুর রশীদসহ তানোর উপজেলা বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা।
এদিকে, রাজশাহী-৪ বাগমারা আসনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে বিএনপি’র সাবেক দুই এমপি মনোয়নপত্র জমা দিয়েছেন। গতকাল বুধবার বেলা ৩ টার দিকে জেলা বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি সাবেক এমপি অধ্যাপক আবদুুল গফুর দলীয় নেতা কর্মিদের সঙ্গে নিয়ে বাগমারা উপজেলা সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন, জেলা বিএনপি’র সহ সভাপতি কেশরহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র আলাউদ্দিন আলো, জেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ মোহাম্মাদ আলী, যুগ্ম সম্পাদক তাজুল ইসলাম টুটুল, সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক, জেলা বিএনপির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা তাজ উদ্দিন আহমেদ, জেলা ছাত্র দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ফায়সাল সরকার ডিকো, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাড. মোজাফ্ফর রহমান প্রমূখ। উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শহিদুজ্জামান মুকুল, যুগ্ম সম্পাদক আবদুল মালেক মানিক, এসএম আরিফ, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জিল্লুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, পৌর স্বেচ্ছাসেবকদল সভাপতি হাফিজুর রহমান। অন্যদিকে বিএনপি’র সাবেক এমপি আবু হেনা সকাল সাড়ে ১০ টার সময় দলীয় নেতা কর্মিদের নিয়ে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটানিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন, ভবানীগঞ্জ পৌর বিএনপি’র সভাপতি সাবেক পৌর মেয়র আবদুর রাজ্জাক, উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ আবদুস সোবহান, জেলা বিএনপি’র মহিলা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. শামসাদ বেগম মিতালী, তাহেরপুর পৌর বিএনপি’র সভাপতি সাবেক মেয়র আবু নাইম শাসসুর রহমান মিন্টু, বিএনপি নেতা ্ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান মিলন, বিএনপি নেতা প্রভাষক কামাল হোসেন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন, বিএনপি নেতা মোজাম্মেল হক, হুজুর আলী, জয়নাল আবেদীন, মোস্তাফিজুর রহমান টুকু, রহিদুল ইসলাম, শাহাদৎ হোসেন, গোলাম মোস্তাফা, বুকুল মৃধা, মহব্বত হোসেন, যুবদল নেতা সাবেক হোসেন, টিপু মোল্লা, হিটলার আলী, সাজ্জাদ হোসেন প্রমূখ। উল্লেখ্য, বাগমারায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে বিএনপির দুইজনকে মনোনয়ন দেয়া হয়। দলীয় সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত না হওয়ায় এই আসনে দুই প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।
অন্যদিকে, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩টি সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগের ৫, বিএনপি’র ৬, জাসদ ২, কৃষক শ্রমিক জনতালীগের ২, স্বতন্ত্র-জামায়াত ২, বিএনফ’র ১, জাকের পার্টির ১, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ২ ও স্বতন্ত্র ১ জন মনোনয়নপত্র জমা প্রদান করেছেন।
গতকাল জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এজেডএম নূরুল হকের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে বর্তমান সাংসদ ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুুল ওদুদ (আ’লীগ)। কেন্দ্রীয় বিএনপি’র যুগ্ম সম্পাদক সাবেক এমপি হারুনুর রশিদ (বিএনপি), অপর প্রার্থী চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বারের সাবেক সভাপতি আবদুুল ওয়াহেদ (বিএনপি) ও জাকের পার্টির বাবলু হোসেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে আ’লীগ নেতা ও গোমস্তাপুর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান খুরিশদ আলম জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন। স্বতন্ত্র-জামায়াতের নুরুল ইসলাম বুলবুলের পক্ষে রফিকুল ইসলাম সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে মনোনয়নপত্র জমা প্রদান করেন। এদিকে, মঙ্গলবার জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের মনিরুজ্জামান মনির জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
এছাড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে সাবেক এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মু. জিয়াউর রহমান, বতর্মান সংসদ সদস্য মুহা. গোলাম মোস্তফা বিশ্বাস, জাসদের (আম্বিয়া) হেলালী আজম, কৃষক শ্রমিক জনতালীগের অ্যাড. নুরুল ইসলাম সেন্টু ও ফেরদৌস ইসলাম, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের ইব্রাহীম খলিল, স্বতন্ত্র-জামায়াতের ইয়াহিয়া খালেদ সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা ও গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে মনোনয়নপত্র জমা প্রদান করেন। অপরদিকে, জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নাচোল উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে মনোনয়নপত্র জমা প্রদান করেন।
অপরদিকে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনে জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক ডা. মো. সামিল উদ্দিন আহম্মেদ শিমুল, বিএনপি’র সাবেক এমপি শাহজাহান মিয়া, বিএনপি’র শাহিন শওকত ও বেলাল ই বাকি ইদ্রিসী, বিএনএফ’র নূরুল ইসলাম জেন্টু, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনিরুল ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী শামসুল হুদা সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে মনোনয়নপত্র জমা প্রদান করেন।
অন্যদিকে, নাটোরের ৪টি আসনে মোট ৩৫জন প্রার্থী তাদের দলীয় মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। মনোনয়ন দাখিলের শেষ দিন বিকেল ৫টা পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে তারা তাদের দলীয় মনোনয়ন জমা দেন। নাটোর-১ লালপুর-বাগাতিপাড়া আসন থেকে মোট ১১জন প্রার্থীর মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন আওয়ামীলীগ থেকে শহিদুল ইসলাম বকুল ও লে. কর্ণেল রমজান আলী সরকার, বিএনপি থেকে কামরুন্নাহার শিরীন ও তাইফুল ইসলাম টিপু, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি থেকে আনছার আলী দুলাল, সাম্যবাদী দলের অ্যাড. বীরেন সাহা ও বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ মনোনিত প্রার্থী মনজুরুল ইসলাম বিমল, জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী আবু তালহা, জাসদ (ইনু) মনোনিত প্রার্থী মোয়াজ্জেম হোসেন, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি মনোনিত প্রার্থী ইব্রাহীম খলিল ও ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের প্রার্থী খালেকুজ্জামান। নাটোর-২ নাটোর সদর-নলডাঙ্গা আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন মোট ৫জন প্রার্থী। আওয়ামীলীগ থেকে শফিকুল ইসলাম শিমুল, বিএনপি থেকে রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু ও তার স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন ছবি, জাতীয় পার্টি থেকে মজিবর রহমান সেন্টু, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন থেকে আমেল খান চৌধুরী। নাটোর-৩ সিংড়া আসন থেকে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন মোট ৭ জন প্রার্থী। আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী অ্যাড. জুনাইদ আহমেদ পলক, বিএনপির দাউদার মাহমুদ ও আনোয়ারুল ইসলাম আনু ,জাতীয় পার্টির মাওলানা আনিসুর রহমান আনসারী, ওয়র্কাস পার্টি মিজানুর রহমান মিজান, বিকল্পধারার মঞ্জুরুল আলম হাসু, ইসলামী আন্দোলনের শাহ মোস্তফা ওয়ালীউল্লাহ্ সেলিম এবং নাটোর-৪ গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম আসন থেকে মোট ১২জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন, আওয়ামীলীগের বর্তমান সাংসদ ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অধ্যাপক আবদুুল কুদ্দুস, বিএনপি থেকে গুরুদাসপুর উপজেলা সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুুল আজিজ, সাবেক সাংসদ মোজাম্মেল হক, কেন্দ্রীয় ধর্মবিষয়ক সহ-সম্পাদক অ্যাডভোকেট জন গমেজ, জাতীয় পার্টির জেলা সেক্রেটারী আলাউদ্দিন মৃধা, জাসদের (ইনু) জেলা সেক্রেটারী ডিএম রণি পারভেজ আলম, ন্যাপের বড়াইগ্রাম উপজেলা সভাপতি হারুন-অর-রশিদ, মুসলীম লীগের শান্তি রিবেরু, কৃষক শ্রমিক জনতালীগের গুরুদাসপুর উপজেলা সভাপতি মুন্সি শহিদুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলনের বড়াইগ্রাম উপজেলা সভাপতি বদরুল আমিন, জামায়াতের জেলা সেক্রেটারী দেলওয়ার হোসাইন খান ও জামায়াতের বড়াইগ্রাম উপজেলা ভাইসচেয়ারম্যান আবদুুল হাকিম।
এদিকে একাদশ সংসদ নির্বাচন লড়তে নওগাঁর ছয়টি আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ৪৩ জন। গতকাল বুধবার মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিনে আওয়ামী লীগ বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনীত ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মনোনয়ন জমা দেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় ও জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, নওগাঁর ছয়টি আসনের বিপরীতে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা পড়েছে সাতজনের। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা পড়েছে ১৫ জনের। ইসলামিক আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ছয়জন। বাম গণতান্ত্রিক জোটের হয়ে লড়তে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন তিনজন। জাতীয় পার্টির চারজন, বিএনএফের একজন, বিকল্পধারার একজন, বিএনএফের একজন, জাতীয় পার্টি জেপির (মঞ্জু) একজন, জাসদের একজন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন চারজন।
নওগাঁর ছয় আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত সাতজন প্রার্থী হলেন, নওগাঁ-১ (নিয়ামতপুর, পোরশা ও সাপাহার) আসনে সাধন চন্দ্র মজুমদার, নওগাঁ-২ (পতœীতলাও ধামইরহাট) আসনে শহীদুজ্জামান সরকার, নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর ও বদলগাছী) আসনে ছলিম উদ্দিন তরফদার, নওগাঁ-৪ (মান্দা) আসনে ইমাজ উদ্দিন প্রামানিক, নওগাঁ-৫ (সদর) আসনে নিজাম উদ্দিন জলিল ও আবদুুল মালেক এবং নওগাঁ-৬ (রাণীনগর ও আত্রাই) আসনে ইসরাফিল আলম।
বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়তে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, নওগাঁ-১ আসনে মোস্তাফিজুর রহমান, ডা. ছালেক চৌধুরী ও লায়ন মাসুদ রানা, নওগাঁ-২ আসনে সামসুজ্জোহান খান ও খাজা নজিবুল্লাহ চৌধুরী, নওগাঁ-৩ আসনে রবিউল আলম ও পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী, নওগাঁ-৪ আসনে সামসুল আলম প্রামানিক, ডা. ইকরামুল বারী টিপু ও আবদুল মতিন, নওগাঁ-৫ আসনে জাহিদুল ইসলাম, নজমুল হক ও আবদুল লতিফ খান এবং নওগাঁ-৬ আসনে আলমগীর কবির ও রেজাউল ইসলাম।
স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন, নওগাঁ-২ আসনে আওয়ামী লীগ নেতা প্রকৌশলী আখতারুল আলম, নওগাঁ-৪ আসনে আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল বাকী ও জামায়াত নেতা আবদুর রাকিব এবং নওগাঁ-৬ আসনে আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ার হোসেন হেলাল।
ইসলামিক আন্দোলনের প্রার্থী হিসেবে নওগাঁ-১ আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন মোস্তফিজুর রহমান, নওগাঁ-২ আসনে দেলোয়ার হোসেন, নওগাঁ-৩ আসনে সেকেন্দার আলী, নওগাঁ-৪ আসনে শহিদুল ইসলাম, নওগাঁ-৫ আসনে আশরাফুল ইসলাম ও নওগাঁ-৬ আসনে শাহজাহান আলী।
জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নওগাঁ-৩ আসনে মনোনয়পত্র জমা দিয়েছেন তোফাজ্জল হোসেন, নওগাঁ-৪ আসনে এনামুল হক, নওগাঁ-১ আসনে আকবর আলী, নওগাঁ-৫ আসনে ইফতারুল আলম বকুল। জাতীয় পার্টি-জেপি (মঞ্জু) মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নওগাঁ-৪ আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন সাইদুর রহমান বকুল।
বামগণতান্ত্রিক জোট থেকে নওগাঁ-৪ আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন এসএম ফজলুর রহমান (সিপিবি), নওগাঁ-১ আসনে মঙ্গল কিস্কু (বাসদ) ও নওগাঁ-৩ আসনে জয়নাল আবেদিন মুকুল (বাসদ)।
নওগাঁ-৩ আসনে বিএনএফের (বাংলাদেশ জাতীয়বাদী ফ্রন্ট) প্রার্থী হয়েছেন জাবেদ আলী, নওগাঁ-১ আসনে বিকল্পধারার প্রার্থী হয়েছেন আবু হেনা মোস্তফা কামাল, নওগাঁ-৫ আসনে জাসদের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন আজাদ হোসেন মুরাদ।

SHARE