রাজশাহীর ৬ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশি ৪২

153

স্টাফ রিপোর্টার : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির দলীয় মনোনয়নপত্র বিক্রি শেষ। শুক্রবার শেষ দিনে বেশ কিছু মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। রাজশাহীর ৬ আসনে ৪২ জন মনোনয়নের জন্য আবেদন করেছেন। এর মধ্যে সদর আসনে মনোনয়ন চেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু এবং রাজশাহী কলেজের সাবেক ভিপি সাহিদ হাসান।
বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশিদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হবে রোববার থেকে। গুলশানে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎকার নেয়া হবে। রাজশাহীর ছয়টি আসনে বিএনপির ৪২ জন নেতা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে রাজশাহী-১ আসনে তিনজন, রাজশাহী-২ আসনে দুইজন, রাজশাহী-৩ আসনে ১৩ জন, রাজশাহী-৪ আসনে আটজন, রাজশাহী-৫ আসনে সাতজন এবং রাজশাহী-৬ আসনে নয়জন।
বৃহস্পতিবার পর্যন্ত রাজশাহী-২ (সদর) আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহের তালিকায় ছিলেন শুধুমাত্র বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু। তার বিরুদ্ধে কেউ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ না করায় বেশ আনন্দে ছিলেন মিনু সমর্থকরা। তবে তাদের সে আনন্দে বাধ সেজেছেন ৯০’র দশকের ছাত্রনেতা সাহিদ হাসান। শুক্রবার তিনি রাজশাহী-২ সদর আসনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে জমা দিয়েছেন। এ ছাড়াও তিনি রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসন থেকেও মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে জমা দেন। বিএনপির দুইবারের সাবেক এমপি ও জেলার সাবেক সভাপতি নাদিম মোস্তফার ছোট ভাই সাহিদ হাসান। তার বাড়ি নগরের দরগাপাড়া এলাকায়। তিনি ছাত্রজীবনে রাজশাহী কলেজ সংসদের ভিপি ছিলেন। সাহিদ হাসান রাজশাহী কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি, নগর ছাত্রদলের সভাপতিও ছিলেন। এছাড়াও তিনি নগর বিএনপির মিনু-মিলন কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ৯০’র এরশাদ সরকারি বিরোধী আন্দোলনে রাজশাহীতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
সাহিদ হাসান বলেন, ‘‘দলে তার অনেক ত্যাগ রয়েছে। কিন্তু বরাবরই তিনি দলে মূল্যায়ন বঞ্চিত হয়েছেন। এবার তিনি দলের হাই কমান্ডের নির্দেশে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে জমা দিয়েছেন। রাজশাহী বিএনপির একটি বড় অংশ তার সঙ্গে রয়েছেন।
অপরদিকে, মিজানুর রহমান মিনু রাজশাহীর সিটি করপোরেশনের তিনবারের মেয়র ছিলেন। এছাড়াও তিনি সদর আসনে একবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু এর আগে দলটির যুগ্ম মহাসচিব ও নগরের সভাপতি ছিলেন।

SHARE