৩০ ডিসেম্বরই ভোট: ইসি

171

গণধ্বনি ডেস্ক : ৩০ ডিসেম্বরই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ করা হবে। নির্বাচন আর পেছানোর সুযোগ নেই। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচন পেছানোর দাবির বিষয়টি পর্যালোচনা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি) বৃহস্পতিবার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ এ বিষয়ে সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচন কমিশন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দাবিগুলো পর্যালোচনা করেছে। আগামী মাসে বেশ কিছু আইনি এবং সাংবিধানিক বিষয় আছে, তাই হাতে যথেষ্ট সময় নিয়ে কাজগুলো করতে হয়। কোথাও পুনর্নির্বাচন বা উপনির্বাচন বা তদন্ত করার প্রয়োজন হতে পারে। নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ, নব নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথের বিষয়ও আছে। এ ছাড়া বিশ্ব এজতেমা জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহ ও তৃতীয় সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে। লক্ষাধিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেখানে নিয়োজিত থাকে। সবদিক বিবেচনা ও চুলচেরা বিশ্লেষণ করে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, ৩০ ডিসেম্বরের পরে নির্বাচন পেছানো যথেষ্ট যুক্তিযুক্ত ও বাস্তবসম্মত হবে না। নির্বাচন পেছানোর আর কোনো সুযোগ নেই। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ৩০ ডিসেম্বরই নির্বাচন হবে।

ঐক্যফ্রন্ট আশঙ্কা করে বলেছে, ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন হলে বিদেশি পর্যবেক্ষকদের অনেক হয়ত আসতে পারবেন না।এ বিষয়ে ইসি সচিব বলেন, এ দেশের জনগণ ১০ কোটি ৪১ লাখ ভোটারের বিষয় ইসি আগে বিবেচনা করবে। তবে বিদেশি পর্যবেক্ষককে ইসি সবসময় স্বাগত জানায়।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হেলালুদ্দীন বলেন, বিএনপি আগেই জানিয়েছে কোন কোন দল ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবেন। আওয়ামী লীগও জানিয়েছে কোন কোন দল নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবে। দলগুলো আলাদাভাবেও জানিয়েছে। আওয়ামী লীগ জোট থেকে কারা কারা নৌকা নিয়ে নির্বাচন করতে চান তা তিনি তাৎক্ষণিক জানাতে পারেননি। তবে সচিব বলেন, এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি এবং বিকল্প ধারা আওয়ামী লীগের জোটে নেই।

ইসি কোনো দলের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে হেলালুদ্দীন বলেন, নির্বাচন কমিশন একটা স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই গ্রহণ করতে পারে। অন্য কারো সিদ্ধান্ত গ্রহণ কখনো করবে না। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল যেহেতু স্টেক হোল্ডার বিভিন্ন বিষয়ে তারা ইসিকে পরামর্শ দিতে পারে।

ইভিএম ও সেনা মোতায়েন প্রশ্নে সচিব বলেন, স্বল্প পরিসরে শহর এলাকায় ইভিএম ব্যবহার করা হবে। সেনাবাহিনী মোতায়েনেরও সিদ্ধান্ত আছে। তবে কীভাবে, কতটুকু ব্যবহার করা হবে সেটা সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত হবে। কবে মোতায়েন হবে সে সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি।

SHARE