৪০১৪ জন শনাক্তের দিনে মৃত্যু ৪৫

15

অনলাইন ডেস্ক : দেশে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু উভয়ই ঊর্ধ্বমুখী। একদিনে ফের ৪ হাজার পেরোল শনাক্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছে ৪ হাজার ১৪ জন। একদিনে এটি এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। এর আগে ১৭ জুন একদিনে ৪০০৮ জন রোগী শনাক্ত হয়েছিল। এতদিন সেটাই ছিল ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ শনাক্ত। সব মিলিয়ে দেশে করোনা রোগী চিহ্নিত হয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ৮০১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৪৫ জন। এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ১৭৮৩ জন। একই সময়ে ২ হাজার ৫৩ জনসহ সব মিলিয়ে সুস্থ হয়েছেন ৫৭ হাজার ৭৮০ জন।

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে সোমবার এমন তথ্য জানান অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা। বুলেটিনে জানানো হয়, দেশে ৬৮টি পরীক্ষাগারের মধ্যে ৬৫টি থেকে করোনা পরীক্ষার ফল পাওয়া গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১৪ হাজার ৪১৩টি। আগের নমুনাসহ পরীক্ষা করা হয়েছে ১৭ হাজার ৮৩৭টি। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হল সাত লাখ ৪৮ হাজার ৩৪টি। গত ২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২২ দশমিক ৫০ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৪০ দশমিক ৭৫ এবং মৃত্যুর হার এক দশমিক ২৬ শতাংশ।

নাসিমা সুলতানা জানান, মৃতদের মধ্যে ৩৬ জন পুরুষ এবং ৯ জন নারী। তাদের মধ্যে হাসপাতালে মারা গেছেন ৩০ জন, বাড়িতে ১৪ জন এবং হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা গেছেন একজন। তাদের বয়স বিবেচনায় ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে দুইজন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে তিনজন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে সাতজন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১১ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ১৪ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ছয়জন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে একজন এবং ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছেন। বিভাগ বিশ্লেষণে ৪৫ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে মারা গেছেন ২২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১০ জন, খুলনা বিভাগে পাঁচজন, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে এবং সিলেট ও বরিশাল বিভাগে তিনজন করে।

তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১ হাজার ২৮সহ এ পর্যন্ত আইসোলেশনে নেয়া হয়েছে ২৫ হাজার ৮৩৮ জনকে। বর্তমানে আইসোলেশনে রয়েছেন ১৪ হাজার ৯৪২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক মিলিয়ে কোয়ারেন্টিনে নেয়া হয়েছে ৩ হাজার ৫৩ জনকে। বর্তমানে হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক মিলিয়ে কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন ৬৫ হাজার ৯৫৯ জন।

করোনার ঝুঁকি এড়াতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে সবাইকে অনুরোধ জানিয়ে নাসিমা সুলতানা বলেন, মায়ের দুধে করোনা ছড়ায় না, তাই শিশুকে বুকের দুধ পান করান। দুধ পান করানোর সময় মায়েরা মুখে মাস্ক পরুন।

SHARE