তামিম-ঝড়ে সিরিজ বাংলাদেশের

78

অনলাইন ডেস্ক : তামিম ইকবাল ফুরিয়ে গেছেন, এমন একটা গুঞ্জন শুরু হয়ে গিয়েছিল। গতকাল নিজেই এই গুঞ্জন উড়িয়ে দেওয়ার দায়িত্ব নিলেন এই বাঁহাতি ওপেনার। বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রান করার রেকর্ডটা নতুন করে লিখলেন, দেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ওয়ানডেতে সাত হাজার রান করলেন। আর তামিমের এই দিনে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় নিশ্চিত করে ফেলল বাংলাদেশ। সিরিজের বাকি ম্যাচটি ৬ তারিখে সিলেট স্টেডিয়ামেই অনুষ্ঠিত হবে।

আগে ব্যাট করা বাংলাদেশ ৮ উইকেটে ৩২২ রানে করেছিল। জবাবে জিম্বাবুয়ে ৮ উইকেটে ৩১৮ রান করে। তারা ম্যাচ হারে মাত্র ৪ রানে।

আগে ব্যাট করা বাংলাদেশের শুরুটা খুব সুখকর হয়নি। লিটন দাস ও নাজমুল হোসেন শান্ত রান আউট হয়ে ফেরেন। লিটনের সঙ্গে তামিমের জুটি ছিল ৩৮ রানের; লিটন করেন ৯ রান। আর শান্তর সঙ্গে ২৭ রানের জুটি; শান্ত করেন ৬ রান।

এরপর মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে দলের ভিত গড়ে দেওয়া দুটো জুটি করেন তামিম। মুশফিক ৫০ বলে ৫৫ রান করে ফেরেন। রিয়াদ ৪১ রান করেন ৫৭ বলে।

৪৬তম ওভারে এসে আউট হন তামিম ইকবাল। তার আগে ১৩৬ বলে ২০টি চার ও ৩টি ছক্কায় ১৫৮ রান করেন। এই ইনিংস খেলার পথে প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে ৭ হাজার রান পার করেন তামিম। এরপর দেশের সেরা ইনিংসটাও খেলেন।

এর আগে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ইনিংস ছিল ১৫৪ রানের। ২০০৯ সালে এই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তামিমই ইনিংসটা খেলেছিলেন। গতকাল ছক্কা মেরে সেই ইনিংসকে পার করলেন। এর দুই বল পরে ফিরে আসেন মুম্বার বলে ক্যাচ দিয়ে।

তামিম ফেরার পর রানের চাকা স্তব্দ হয়ে যায়। মিঠুন ১৮ বলে ৩২ রান করে অপরাজিত থাকেন। কিন্তু শেষ ওভারগুলোতে তিনি খুব একটা স্ট্রাইক পাননি। ফলে শেষ ২০ বলে একটা মাত্র চারের দেখা পায় বাংলাদেশ।

জবাব দিতে নেমে ১৫ রানেই ওপেনার চাকাভার উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে; উইকেট নেন শফিউল। টেলর ও শন উইলিয়ামসও খুব টেকেননি। ওপেনার কামুনহুকাওমে ৫১ রান করে তাইজুলের বলে আউট হন। শেষ কাটা হয়ে ছিলেন তরুণ মাধিভেরে ও সিকান্দার রাজা। ৫২ রান করে মাধিভেরে তাইজুলের বলে ও ৬৬ রান করে সিকান্দার মাশরাফির বলে ফিরে আসেন। মুতুম্বাজি ২১ বলে ৩৪ রান করে ব্যবধান কমান। আর জিম্বাবুয়ের হয়ে আসল লড়াইটা করেন তিরিপানো। তিনি ২৮ বলে ৫৫ রান করে খেলাটাকে শেষ বলে নিয়ে যান।

আল আমিন ও শফিউল ইসলামের বোলিংয়ে শেষ দিকে ম্যাচটা হাতছাড়া হতেই বসেছিল। তাইজুল ৩ উইকেট নিয়ে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন।

SHARE